অতিরিক্ত পরিমাণে হাতের তালু ঘেমে যাওয়া এক ধরনের রোগ। অনেকের দেখা যায় হাতের তালু ঘেমে পানি ঝরছে। তাই এই ব্যাপারে অনেকে ভোগান্তির শিকার হন। তাই এই ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অনেক জরুরি। তবে নিজেও এই ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন হতে পারেন। কচি লাউয়ের বিচি বেটে হাতে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে (কমপক্ষে ২০ মিনিট) ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। পানি খেতে হবে প্রচুর পরিমাণ, দৈনিক ৮ গ্লাসের পরিবর্তে তাদের খেতে হবে ১০-১২ গ্লাস। যত বেশি সম্ভব তৈলাক্ত খাবার না খাওয়া ভালো। লাল মাংস (গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁসের মাংস) কম খেতে হবে বা না খেতে পারলে ভাল, তবে কচি মুরগী খেতে বাধা নেই।
Saturday, March 26, 2011
Sunday, March 20, 2011
David Copperfield
David Copperfield (illusionist)
From Wikipedia, the free encyclopedia
David Copperfield (born David Seth Kotkin;
September 16, 1956) is an American illusionist,
described by Forbes in 2006 as the most
commercially successful magician in history.[1]
Best known for his combination of storytelling
and illusion, Copperfield has so far sold 40
million tickets and grossed over $1 billion.[1]
David Copperfield | |
|---|---|
David Copperfield backstage at the America's Got Talent Season 5 finale rehearsal. | |
Born | David Seth Kotkin September 16, 1956 (age 54) |
Occupation | |
Years active | 1974–present |
Saturday, March 19, 2011
লাউয়ের ঔষধি গুণ খুব বেশি
আমারহেলথ ডেস্ক: অতি পরিচিত লাউয়ের জন্ম কিন্তু আফ্রিকায়। আমাদের দেশে লাউকে আঞ্চলিক ভাষায় কদু বলা হয়। কচি লাউয়ের রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা রঙের শাঁস। এটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। শুধু লাউ নয়, লাউয়ের বাকল, লতা, এমনকি পাতাও খাওয়া যায়।
পুষ্টিগুণ:
প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে জলীয় অংশ ৯৬.১০ গ্রাম, আঁশ ০.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ১২ কিলোক্যালরি, প্রোটিন ০.২ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ২.৫ গ্রাম। খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম ২০.০ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৭ মিলিগ্রাম ছাড়াও সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, ফসফরাস ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স সি ছাড়াও এতে ফলিক এসিড, ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড আছে।
উপকারিতা:
- লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে, যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
- লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।
- প্রসাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয়। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।
- কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে সহায়ক।
- এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।
- ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী। ডায়েটিংকালেও লাউ ভালো ফল দেয়।
- চুলের গোড়া শক্ত করে, ধূসর হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
ডা. জেড হক
তথ্য সহায়তা : তৃপ্তি চৌধুরী
পুষ্টিবিদ, বিএসএমএমইউ, ঢাকা
পুষ্টিগুণ:
প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে জলীয় অংশ ৯৬.১০ গ্রাম, আঁশ ০.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ১২ কিলোক্যালরি, প্রোটিন ০.২ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ২.৫ গ্রাম। খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম ২০.০ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৭ মিলিগ্রাম ছাড়াও সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, ফসফরাস ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স সি ছাড়াও এতে ফলিক এসিড, ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড আছে।
উপকারিতা:
- লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে, যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
- লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।
- প্রসাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয়। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।
- কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে সহায়ক।
- এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।
- ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী। ডায়েটিংকালেও লাউ ভালো ফল দেয়।
- চুলের গোড়া শক্ত করে, ধূসর হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
ডা. জেড হক
তথ্য সহায়তা : তৃপ্তি চৌধুরী
পুষ্টিবিদ, বিএসএমএমইউ, ঢাকা
Thursday, March 17, 2011
একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে কিভাবে লাভ-ক্ষতি বিবরণী প্রস্তুত করা হয়?
GKZidv `vwLjv c×wZ‡Z †Kvb bvwgK wnmve ivLv nq bv| †m Rb¨ wbw`©ó mg‡qi ci µq-weµq wnmve I jvf-¶wZ wnmve ˆZwi K‡i †gvU jvf/¶wZ Ges bxU jvf/¶wZ wbY©q Kiv m¤¢e bq| G wnmvei¶Y c×wZ‡Z cÖwZôv‡bi mgvcbx g~ja‡bi mv‡_ cÖviw¤¢K g~jab Zzjbv K‡i bxU jvf/¶wZ †ei Kiv nq| mvaviYZ cÖviw¤¢K g~ja‡bi Zzjbvq mgvcbx g~jab eo n‡j Dnv‡`i cv_©K¨UzKz nj bxU jvf Ges cÖviw¤¢K g~ja‡bi Zzjbvq mgvcbx g~jab †QvU n‡j Dnv‡`i cv_©K¨UzKz nj bxU ¶wZ| wb‡¤œ GKZidv `vwLjv c×wZ‡Z jvf-‡jvKmvb wbY©‡qi c`‡¶cmg~n Av‡jvPbv Kiv nj|
অনিশ্চিত হিসাব কি? রেওয়ামিল কি হিসাববহির গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করে?
AwbwðZ wnmvet AwbwðZ wnmve GKwU mvgwqK wnmve| wnmvei¶Y Kvh©µ‡g GK A_ev GKvwaK we‡kl cwiw¯’wZi D™¢e n‡j mvgwqK e¨e¯’v ¯^iƒc G RvZxq wnmve †Lvjv nq| D³ cwiw¯’wZ wbimb nIqvi m‡½ m‡½ GB RvZxq wnmve wejyß Kiv nq| Ab¨ †Kvb wnmv‡ei bvg AÁvZ _vKvq D³ wnmv‡ei A_© †h wnmv‡e †i‡L †`Iqv nq Zv‡K AwbwðZ wnmve e‡j|
দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি পূর্ণাঙ্গ, নির্ভরযোগ্য ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি-ব্যাখ্যা কর।
‡h c×wZ‡Z †jb‡`b‡K Zvwi‡Li µgvbymv‡i mgcwigvY UvKv Øviv `yÕwU c‡ÿ e¨vL¨vmn wjwce× Kiv nq Zv‡K `yÕZidv `vwLjv c×wZ e‡j| wnmveweÁv‡bi RbK jyKv c¨vwmIwj 1494 Lªx÷v‡ã Zvi weL¨vZ eB ÔÔmy¤§v wW Gwi_g¨vwUKv wRI‡gUwiKv cÖ‡cvik‡bU cÖ‡cvikbvwjUvÕÕ bvgK MÖ‡š_ `yÕZidv `vwLjv c×wZi m~Pbv K‡ib| hv wek¦e¨vcx cÖPzi mgv`„Z nq| eZ©gv‡b GB c×wZwU GKwU c~Y©v½, wbf©i‡hvM¨ I weÁvbm¤§Z c×wZ wnmv‡e ¯^xK…wZ jvf K‡i‡Q we‡k¦i mKj wnmveweÁvbx‡`i Kv‡Q| GB c×wZi Dci wfwË K‡iB AvaywbK wnmvekv‡¯¿i DrcwË| Gj.wm. µcvi `yÕZidv `vwLjv c×wZ m¤ú‡K e‡jb, ÔÔDouble Entry Book Keeping has however, stood the test of four hundred years of continuous use and it may be safely claimed for it that is the only system worthy of adoption by the practical business.’’
Tuesday, March 15, 2011
শিশুদের চিকিৎসার শুভ সংবাদ
প্রণব কুমার চৌধুরী | শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শিশুর অসুখবিসুখ সারিয়ে তোলা কিংবা প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা নিরন্তর গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। পর্যবেক্ষণলব্ধ তথ্য-উপাত্ত অনেক ধাপ পেরিয়ে প্রমাণিত সত্যে পর্ষবসিত হয়। বড়দের ওপর তা যথাযথ স্বীকৃত হলে ছোটদের স্বাস্থ্য রক্ষায় চলে এর প্রয়োগ। শিশুস্বাস্থ্য পরিচর্চায় সাম্প্রতিক কিছু গবেষণাপত্রে কল্যাণমূলক নানা দিক উন্মোচিত হয়েছে:
শিশুর অসুখবিসুখ সারিয়ে তোলা কিংবা প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা নিরন্তর গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। পর্যবেক্ষণলব্ধ তথ্য-উপাত্ত অনেক ধাপ পেরিয়ে প্রমাণিত সত্যে পর্ষবসিত হয়। বড়দের ওপর তা যথাযথ স্বীকৃত হলে ছোটদের স্বাস্থ্য রক্ষায় চলে এর প্রয়োগ। শিশুস্বাস্থ্য পরিচর্চায় সাম্প্রতিক কিছু গবেষণাপত্রে কল্যাণমূলক নানা দিক উন্মোচিত হয়েছে:
ভূস্তরের তলদেশের দুই প্লেটের সংঘর্ষে কেঁপে উঠেছিল জাপান
প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে দু’টি প্লেটের (ভূস্তর) মধ্যে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা চলছিল। প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটটি ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ইউরেশীয় প্লেটের নীচে। ইউরেশীয় প্লেট তাতে বাধা দিচ্ছিল। তার জেরে সমুদ্রের তলদেশে ওই অংশে তৈরি হচ্ছিল শক্তি। এক সময় সেই শক্তি এতটাই জমে গেল যে, তাকে আর ধরে রাখা গেল না। সমুদ্রের তলদেশে সেই সঞ্চিত শক্তি একসঙ্গে নির্গত হল। যা প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটটিকে এক ধাক্কায় ঢুকিয়ে দিল ইউরেশীয় প্লেটের তলায়। সমুদ্রের তলদেশে বাড়ল ফাটল। সৃষ্টি হল রিখটার স্কেলে ৮.৯ তীব্রতার প্রচণ্ড ভূমিকম্প।
১৯ মার্চ চাঁদ খুব কাছে আসবে পৃথিবীর
আগামী ১৯ মার্চ ২০১১ পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে চাঁদ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৮ বছর অন্তর এই ধরনের মহাজাগতিক ঘটনা দেখা যায়। ওই দিন চাঁদকে স্বাভাবিকের তুলনায় পৃথিবী থেকে অন্তত ১২ শতাংশ বড় দেখাবে । চাঁদের ঔজ্জ্বল্য ২৫-৩০ গুণ বেড়ে যাবে। এর আগে স্বরণাতীত কালের মধ্যে পৃথিবী থেকে চাঁদের সর্বনিম্ন দূরত্ব দাঁড়িয়েছিল ১৯১২ সালের ৪ জুন। এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘এক্সট্রিম সুপারমুন’। বলা হয়ে থাকে এর আগে যতবারই চাঁদ পৃথিবীর কাছে এসেছে ততবারই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছে। বিশিষ্ট জ্যোতিষী রিচার্ড নোলের মতে, এর আগে যতবারই সুপার মুন হয়েছে ততবারই কোনও না কোন বিপর্যয় ঘটেছে। যেমন ১৯১২ সালে ১৯ জানুয়ারি ‘এক্সট্রিম সুপারমুন’ হয়েছিল। তার কাছাকাছি সময়েই নিউজিল্যান্ডে বিধ্বংসী ভূমিকম্প হয়েছিল। এবারও ১ মার্চ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে বড় বিপর্যয়ের সম্ভাবনা থাকছে। যার নমুনা দেখা গিয়েছে শুক্রবার জাপানের ভূমিকম্প ও সুনামিতে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এটা নিছকই কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।ঢাকা, ১৩ মার্চ (বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর ডেস্ক)
Monday, March 14, 2011
জাপানের ভূমিকম্প: মহাদূর্যোগ মোকাবেলা
জাপানে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প
জাপানে গতকাল শুক্রবার আঘাত হানা ভূমিকম্পটি ছিল দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী। এই ভূমিকম্পের প্রভাবে দেখা দেওয়া সুনামিতে প্রায় ১০ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায় জাপানের অনেক এলাকা। এর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস দেখা দেয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার বেশ কয়েকটি দেশে। এখানে ১৯০০ সালের পর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি ভূমিকম্পের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো। এর মধ্যে বেশির ভাগ ভূমিকম্পের প্রভাবে সুনামি দেখা দেয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
১৯০৬ সালের ৩১ জানুয়ারি: ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প এবং সুনামিতে অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা৮ দশমিক ৮। মধ্য আমেরিকা, সানফ্রানসিসকো ও জাপান পর্যন্ত এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর: রাশিয়ায় ৯ দশমিক শূন্য মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানে। এর তীব্রতা হাওয়াই দ্বীপ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কোনো মানুষ হতাহত হয়নি।
১৯৫৭ সালের ৯ মার্চ: আলাস্কায় ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পরপরই উমনাক দ্বীপের ভিসেভিডোফ আগ্নেয়গিরির ২০০ বছর পর অগ্ন্যুৎপাত হয়। এ সময় অন্তত ৫০ ফুট উঁচু সুনামি হাওয়াই দ্বীপে আছড়ে পড়ে।
১৯০৬ সালের ৩১ জানুয়ারি: ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প এবং সুনামিতে অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা৮ দশমিক ৮। মধ্য আমেরিকা, সানফ্রানসিসকো ও জাপান পর্যন্ত এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর: রাশিয়ায় ৯ দশমিক শূন্য মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামি আঘাত হানে। এর তীব্রতা হাওয়াই দ্বীপ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কোনো মানুষ হতাহত হয়নি।
১৯৫৭ সালের ৯ মার্চ: আলাস্কায় ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পরপরই উমনাক দ্বীপের ভিসেভিডোফ আগ্নেয়গিরির ২০০ বছর পর অগ্ন্যুৎপাত হয়। এ সময় অন্তত ৫০ ফুট উঁচু সুনামি হাওয়াই দ্বীপে আছড়ে পড়ে।


3/26/2011 11:53:00 PM
Join



